মাত্র কয়েক দিন আগেই ইতিহাস গড়েছিলেন ইলন মাস্ক। স্পেসএক্সের শেয়ারবাজারে যাত্রা শুরুর পর বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই রেকর্ড বেশিদিন ধরে রাখতে পারেননি বিশ্বের অন্যতম ধনী এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা।
ইলন মাস্ক
শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংস্কৃতির সম্পর্কটা খুব বেশি হয়ে ওঠে না। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ইলন মাস্ক। বিশ্বের উচ্চাভিলাষী এই উদ্যোক্তা শুধু ইন্টারনেট–সংস্কৃতির কেন্দ্রীয় চরিত্রই নন, বিপুল সম্পদের মালিক হিসেবেও তিনি আলোচনার শীর্ষে।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সের (সাবেক টুইটার) মালিক ইলন মাস্ককে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে আলোচনায় এসেছেন মার্কিন পপ তারকা দোজা ক্যাট। প্ল্যাটফর্মটিতে সরাসরি ভয়েস নোট শেয়ার করার মাধ্যম ‘অডিও পোস্ট ফিচার’ ফিরিয়ে আনার দাবি জানাতে গিয়ে এই ধনকুবেরের উদ্দেশ্যে এমন আপত্তিকর মন্তব্য করেন তিনি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে বিশ্বজুড়ে যখন নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তখন বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। আর সেই চাহিদা মেটাতে নতুন পথ খুঁজছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। তবে এবার তার পরিকল্পনা ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইকে ঘিরে আইনি লড়াইয়ে আদালতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ইলন মাস্ক ও ওপেনএআই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়।
ওপেনএআই সংক্রান্ত মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ইলন মাস্ক স্বীকার করেছেন, টেসলা এখনো এজিআই নিয়ে কাজ করছে না। অথচ কিছুদিন আগেই তিনি ভিন্ন দাবি করেছিলেন। এতে আদালতে তার অবস্থান প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক এবার নিজেকে ইতিহাসের সর্বোচ্চ করদাতা হওয়ার পথে বলে দাবি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, জীবদ্দশায় তাঁর মোট কর পরিশোধের পরিমাণ ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, তার কম্পানি স্পেসএক্স এখন চাঁদে মানুষের থাকার জন্য একটি শহর তৈরির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কি খুব শিগগিরই মানুষের চিন্তাশক্তিকে ছাপিয়ে যাবে? ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মঞ্চে এমনই এক ভবিষ্যৎচিত্র তুলে ধরেছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। তার মতে, আগামী
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই এবং প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতে দাখিল করা নথিতে তিনি এ দাবি জানান।